ভুঁড়ি কমানোর উপায়

ভুঁড়ি কমানোর উপায়

 ভুঁড়ি কমানোর উপায়

আসসালামুআলাইকুম আশা করি সবাই ভালো আছেন আমি আপনাদের সামনে আসছে হেলথ বিষয়ক (দ্রুত ভুড়ি কমানোর উপায়)একটি গুরুত্বপূর্ণ টিপস এন্ড ট্রিক্স নিয়ে হাজির হয়েছি যেটির মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই আপনার ভুঁড়ি কমাতে পারবেন। বর্তমান সময়ের ঘড়ি একটি কমন বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে অতিরিক্ত (bhuri komanor upay ki)তেলজাতীয় পদার্থ সেবনের ফলে এই বুড়ি বৃদ্ধি পেতে থাকে। কিন্তু এই ভুড়ি কমানোর জন্য তেমন কোনো চিকিৎসা বা কোন ঔষধ এখনো তৈরি হয়নি তাই আমাদের (bhuri komanor upay video)কিছু প্রাথমিক চিকিৎসায় ফিজিক্যাল প্রাকটিসের মাধ্যমে এই সমস্যা এই রোগ থেকে রক্ষা পেতে পারি।ভুড়ি কমানোর উপায়bhuri komanor sohoj upay। মেদহীন ফিট শরীর কে না চায়। তবে অনিয়মিত জীবনযাপন আর ব্যস্ততায় বেশির ভাগ সময়ই শরীরের দিকে খেয়াল রাখাটা অনেকের পক্ষে মুশকিল হয়ে পড়ে। তবে একটু সচেতন হলে,কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিতে কমতে পারে ওজন।সারাদিনে আমরা যেসব খাবার খাই, আমাদের শরীরে তা থেকেই শক্তি আসে। কিন্তু আমরা বেশিরভাগ সময়েই উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত খাবার খেয়ে ফেলি। এদিকে কাজ করি অফিসে বসে থেকে। কোনোরকম শারীরিক কসরতও করা হয় না। এর ফলে সেই অতিরিক্ত খাবার, ফ্যাট বা গ্লুকোজ-এর আকারে শরীরে জমে যায়।অতিরিক্ত মেদের ফলে বাড়তে পারে ডায়াবেটিস, প্রেশার, কোমর ও হাঁটুর ব্যথার মতো সমস্যা।ভুড়ি কমানোর জন্য প্রথমত আপনাকে একটি নির্দিষ্ট সময়ে ব্যায়াম করতে হবে যে ব্যায়ামগুলো ভুড়ি কমাতে সাহায্য করে সেই রকম ব্যায়াম করতে হবে যদি আপনার এ সম্পর্কে কোন ধারণা থাকে অর্থাৎ দাম সম্পর্কে কোনো সঠিক ধারণা (bhuri komanor upay bangla)থাকে তাহলে অবশ্যই কোন এক্সপার্ট এর কাছে জেনে নিতে পারেন কিভাবে ভুড়ি কমানোর ব্যায়াম করতে হয় এবং ভুড়ি কমানোর ব্যায়াম অথবা ব্যায়াম করার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় দৃষ্টি (vuri komanor sohoj upay)আকর্ষণ করা একান্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই অবশ্যই ব্যায়াম শুরু করার আগে দাম সম্পর্কে জেনে নেওয়া ভালো এবং কখনোই ভরা পেটে এবং দুর্বল অবস্থায় ব্যয়াম করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয় তাই সুস্থ সবল এবং সুন্দর মন নিয়েই ব্যায়াম করার জন্য প্রস্তুত হতে হবে।bhuri komanor sohoj upay bengali

ভুঁড়ি কমানোর নিয়ম

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে পেটের ভুঁড়ি নিয়ে সমস্যায় জর্জরিত। এবং প্রতি মুহূর্তে তারা বিভিন্ন ধরনের সমাধান চাচ্ছি এই ভুড়ি কমানোর জন্য। এবং এমন অনেক বেল্ট রয়েছে যে বিলগুলো কোমরে বেঁধে রাখলে নির্দিষ্ট সময় পরে আস্তে আস্তে ভুরি কমে যায় সেটা আপনাকে অবশ্যই দেখে শুনে এবং পর্যবেক্ষণ করে নিকটস্থ কোনো সার্টিফিকেটধারী চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সেগুলো পড়লে আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ভালো দিক বয়ে আনতে পারে এবং আপনার ভুঁড়ি কমাতে সাহায্য করতে পারে।bhuri komanor upay

ভুঁড়ি কমানোর নিয়ম

পরিমিত খাদ্য গ্রহণ এবং নিয়মিত ব্যায়াম করার মাধ্যমে ভুড়ি কমানো যায় তবে কিছু কিছু বিষয় খেয়াল রাখা এবং সতর্ক থাকা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো যেমন খাদ্য গ্রহণের সময় অবশ্যই তেলজাতীয় পদার্থ গুলো কে, (bhuri komanor upay dikhao)জাতীয় খাদ্য গুলো পরিহার করতে হবে এতে করে ভুড়ি কমাতে সাহায্য করে এবং নির্দিষ্ট সময়ে এবং খালি পেটে ব্যায়াম করতে হবে তবে এই দিকেও লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন যদি শরীর দুর্বল থাকে তাহলে কখনই ব্যায়াম করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো দিক নয় তাই সুস্থ এবং সুন্দর মনের অধিকারী যখনই একজন ব্যক্তি (vuri komanor upay)থাকে তখনই ব্যায়াম করা শরীর কে নাড়াচাড়া করার জন্য পারফেক্ট সময়ে। অতিরিক্ত মেদের ফলে বাড়তে পারে ডায়েবিটিস,জড়িত প্রেশার, কোমর ও হাঁটুর ব্যাথার মতো সমস্যা।ভুঁড়ির সমস্যা স্বাস্থ্যের পক্ষেও বেশ ক্ষতিকর। তা ছাড়া অল্প কাজকর্মেই বুক ধরপর, ক্লান্তি, অনিদ্রা, শ্বাসকষ্টের মতো বহু শারীরিক সমস্যার সঙ্গেও অতিরিক্ত ওজন প্রত্যক্ষভাবে জড়িত।

 

ভুঁড়ি হওয়ার কারণ কি?

 

আমরা সারাদিন যে খাবার খাই, তা থেকে আমাদের শরীরে কাজকর্ম করার শক্তি আসে । অথচ সারাদিন অফিসে বসে কাজ করা এবং শারীরিক কসরত না করার ফলে সেই ক্যালোরি খরচ হয় না। এর ফলে সেই অতিরিক্ত খাবার, ফ্যাট বা গ্লুকোজ-এর আকারে শরীরে জমে যায়।অনেককে চেষ্টা করে জিমে গিয়ে এবং ডায়েট কন্ট্রোল করেও অনেক সময় ভুড়ি কমাতে চায় না। তারপরও বিশেষ কিছু কারণ অর্থাৎ হরমোনগত সমস্যার কারণে অনেক সময় জিমে গিয়ে ও ওজন কমানো সম্ভব হয় না কিন্তু চিন্তা নেই সহজ কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি ওজন কমানো সম্ভব।

 

জেনে নিন বাড়িতে সহজেই ভুঁড়ি কমানোর টিপস্:

 

#) মেদহীন সুস্থ শরীরের মূল শর্ত বলে গেছেন ফেলুদা । “পরিমিত আহার, নিয়মিত ব্যায়াম”-এর কোনও বিকল্প নেই।

 

#)  পেটে একটু জায়গা রেখে খান। খাবার ভালো হজম হবে। অতিরিক্ত ক্যালোরির সমস্যাও হবে না।

 

#)  খাবারের প্রোটিনের পরিমাণ রাখুন বেশি। ছোটো মাছ, চিকেনের ব্রেস্ট পিস খান। খাবারের পাতে রাখুন প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি ও ফল।

 

#) বাড়িতে রান্না করা । অতি রিক্ত তেল-মশলা, ঘি-মাখন এড়িয়ে চলুন। রেড মিট নৈব নৈব চ। ফাস্ট ফুড, ডিপ-ফ্রাই করা খাবার, আইসক্রিম, কোল্ড ড্রিংক্স, অ্যালকোহল না খাওয়াই ভালো।  স্ন্যাক্স হিসাবে খান ফল, গ্রিলড্ খাবার, চাট, স্যালাড, আমন্ড, টক দই।

 

#) ভাত, ময়দা, চিনি কম খান। পারলে ঢেঁকি-ছাঁটা চালের ভাত খান। আটার রুটি খান। চা-কফিতে চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন।

#) মেদ কমাতে না খেয়ে খালি পেটে থাকেন অনেকে। সেটি খুবই ভুল ধারণা। অল্প অল্প পরিমাণে বারে বারে খান। নয় তো হিতে বিপরীত হবে।

 

# মেদহীন সুস্থ শরীরের মূল শর্ত পরিমিত আহার ও ব্যায়াম।

 

#. খাওয়ার সময় পেট পুরে না খাওয়া। খাবার ভালো হজম হবে। অতিরিক্ত ক্যালরির সমস্যাও হবে না।

 

#. দিনের খাবারে প্রোটিনের পরিমাণ বেশি । ছোট মাছ খান।  প্রচুর শাকসবজি ও ফল।

 

#. বাড়িতে রান্না করা খাবার খাওয়া। অতিরিক্ত তেল-মসলা, ঘি-মাখন এড়িয়ে চলুন। রেড মিট খাবেন না। ফাস্টফুড, ডিপ-ফ্রাই করা খাবার, আইসক্রিম,না খাওয়াই ভালো।

#. ভাত, ময়দা ও চিনি কম । পারলে ঢেঁকি-ছাঁটা চালের ভাত খান। আটার রুটি খান।

 

#.  শরীরচর্চা করুন। রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠে আধাঘণ্টা রাখুন নিজের জন্য। স্কিপিং, বুক ডাউন, পুল-আপের মতো খালি হাতে ব্যায়াম করুন।

#. মেদ কমাতে না খেয়ে খালি পেটে থাকেন অনেকে। সেটি খুবই ভুল ধারণা। অল্প পরিমাণে বারবার খান।

 

 ভুঁড়ি কমানোর উপায়

 

আসসালামুআলাইকুম আশা করি সবাই ভালো আছেন আমি আপনাদের সামনে আসছে হেলথ বিষয়ক (দ্রুত ভুড়ি কমানোর উপায়)একটি গুরুত্বপূর্ণ টিপস এন্ড ট্রিক্স নিয়ে হাজির হয়েছি যেটির মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই আপনার ভুঁড়ি কমাতে পারবেন। বর্তমান সময়ের ঘড়ি একটি কমন বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে অতিরিক্ত (bhuri komanor upay ki)তেলজাতীয় পদার্থ সেবনের ফলে এই বুড়ি বৃদ্ধি পেতে থাকে। কিন্তু এই ভুড়ি কমানোর জন্য তেমন কোনো চিকিৎসা বা কোন ঔষধ এখনো তৈরি হয়নি তাই আমাদের (bhuri komanor upay video)কিছু প্রাথমিক চিকিৎসায় ফিজিক্যাল প্রাকটিসের মাধ্যমে এই সমস্যা এই রোগ থেকে রক্ষা পেতে পারি।ভুড়ি কমানোর উপায়bhuri komanor sohoj upay। মেদহীন ফিট শরীর কে না চায়। তবে অনিয়মিত জীবনযাপন আর ব্যস্ততায় বেশির ভাগ সময়ই শরীরের দিকে খেয়াল রাখাটা অনেকের পক্ষে মুশকিল হয়ে পড়ে। তবে একটু সচেতন হলে,কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিতে কমতে পারে ওজন।সারাদিনে আমরা যেসব খাবার খাই, আমাদের শরীরে তা থেকেই শক্তি আসে। কিন্তু আমরা বেশিরভাগ সময়েই উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত খাবার খেয়ে ফেলি। এদিকে কাজ করি অফিসে বসে থেকে। কোনোরকম শারীরিক কসরতও করা হয় না। এর ফলে সেই অতিরিক্ত খাবার, ফ্যাট বা গ্লুকোজ-এর আকারে শরীরে জমে যায়।অতিরিক্ত মেদের ফলে বাড়তে পারে ডায়াবেটিস, প্রেশার, কোমর ও হাঁটুর ব্যথার মতো সমস্যা।ভুড়ি কমানোর জন্য প্রথমত আপনাকে একটি নির্দিষ্ট সময়ে ব্যায়াম করতে হবে যে ব্যায়ামগুলো ভুড়ি কমাতে সাহায্য করে সেই রকম ব্যায়াম করতে হবে যদি আপনার এ সম্পর্কে কোন ধারণা থাকে অর্থাৎ দাম সম্পর্কে কোনো সঠিক ধারণা (bhuri komanor upay bangla)থাকে তাহলে অবশ্যই কোন এক্সপার্ট এর কাছে জেনে নিতে পারেন কিভাবে ভুড়ি কমানোর ব্যায়াম করতে হয় এবং ভুড়ি কমানোর ব্যায়াম অথবা ব্যায়াম করার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় দৃষ্টি (vuri komanor sohoj upay)আকর্ষণ করা একান্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই অবশ্যই ব্যায়াম শুরু করার আগে দাম সম্পর্কে জেনে নেওয়া ভালো এবং কখনোই ভরা পেটে এবং দুর্বল অবস্থায় ব্যয়াম করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয় তাই সুস্থ সবল এবং সুন্দর মন নিয়েই ব্যায়াম করার জন্য প্রস্তুত হতে হবে।bhuri komanor sohoj upay bengali

 

 

 

 

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে পেটের ভুঁড়ি নিয়ে সমস্যায় জর্জরিত। এবং প্রতি মুহূর্তে তারা বিভিন্ন ধরনের সমাধান চাচ্ছি এই ভুড়ি কমানোর জন্য। এবং এমন অনেক বেল্ট রয়েছে যে বিলগুলো কোমরে বেঁধে রাখলে নির্দিষ্ট সময় পরে আস্তে আস্তে ভুরি কমে যায় সেটা আপনাকে অবশ্যই দেখে শুনে এবং পর্যবেক্ষণ করে নিকটস্থ কোনো সার্টিফিকেটধারী চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সেগুলো পড়লে আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ভালো দিক বয়ে আনতে পারে এবং আপনার ভুঁড়ি কমাতে সাহায্য করতে পারে।bhuri komanor upay

 

 

 

 

পরিমিত খাদ্য গ্রহণ এবং নিয়মিত ব্যায়াম করার মাধ্যমে ভুড়ি কমানো যায় তবে কিছু কিছু বিষয় খেয়াল রাখা এবং সতর্ক থাকা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো যেমন খাদ্য গ্রহণের সময় অবশ্যই তেলজাতীয় পদার্থ গুলো কে, (bhuri komanor upay dikhao)জাতীয় খাদ্য গুলো পরিহার করতে হবে এতে করে ভুড়ি কমাতে সাহায্য করে এবং নির্দিষ্ট সময়ে এবং খালি পেটে ব্যায়াম করতে হবে তবে এই দিকেও লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন যদি শরীর দুর্বল থাকে তাহলে কখনই ব্যায়াম করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো দিক নয় তাই সুস্থ এবং সুন্দর মনের অধিকারী যখনই একজন ব্যক্তি (vuri komanor upay)থাকে তখনই ব্যায়াম করা শরীর কে নাড়াচাড়া করার জন্য পারফেক্ট সময়ে। অতিরিক্ত মেদের ফলে বাড়তে পারে ডায়েবিটিস,জড়িত প্রেশার, কোমর ও হাঁটুর ব্যাথার মতো সমস্যা।ভুঁড়ির সমস্যা স্বাস্থ্যের পক্ষেও বেশ ক্ষতিকর। তা ছাড়া অল্প কাজকর্মেই বুক ধরপর, ক্লান্তি, অনিদ্রা, শ্বাসকষ্টের মতো বহু শারীরিক সমস্যার সঙ্গেও অতিরিক্ত ওজন প্রত্যক্ষভাবে জড়িত।

 

 

 

 

ভুঁড়ি হওয়ার কারণ কি?

 

 

 

 

আমরা সারাদিন যে খাবার খাই, তা থেকে আমাদের শরীরে কাজকর্ম করার শক্তি আসে । অথচ সারাদিন অফিসে বসে কাজ করা এবং শারীরিক কসরত না করার ফলে সেই ক্যালোরি খরচ হয় না। এর ফলে সেই অতিরিক্ত খাবার, ফ্যাট বা গ্লুকোজ-এর আকারে শরীরে জমে যায়।অনেককে চেষ্টা করে জিমে গিয়ে এবং ডায়েট কন্ট্রোল করেও অনেক সময় ভুড়ি কমাতে চায় না। তারপরও বিশেষ কিছু কারণ অর্থাৎ হরমোনগত সমস্যার কারণে অনেক সময় জিমে গিয়ে ও ওজন কমানো সম্ভব হয় না কিন্তু চিন্তা নেই সহজ কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি ওজন কমানো সম্ভব।

 

 

 

 

জেনে নিন বাড়িতে সহজেই ভুঁড়ি কমানোর টিপস্:

 

 

 

 

#) মেদহীন সুস্থ শরীরের মূল শর্ত বলে গেছেন ফেলুদা । “পরিমিত আহার, নিয়মিত ব্যায়াম”-এর কোনও বিকল্প নেই।

 

 

 

 

#)  পেটে একটু জায়গা রেখে খান। খাবার ভালো হজম হবে। অতিরিক্ত ক্যালোরির সমস্যাও হবে না।

 

 

 

আরো পড়ুন: জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামো ntvqf এর আওতায় ফ্রি প্রশিক্ষণ কোর্সে প্রশিক্ষণার্থী ভর্তি চলছে।

বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২১ | Bangladesh Marine Academy Job Circular 2021

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড নিয়োগ ২০২১ | Bangladesh Power Development Board job circular 2021

#)  খাবারের প্রোটিনের পরিমাণ রাখুন বেশি। ছোটো মাছ, চিকেনের ব্রেস্ট পিস খান। খাবারের পাতে রাখুন প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি ও ফল।

 

 

 

 

#) বাড়িতে রান্না করা । অতি রিক্ত তেল-মশলা, ঘি-মাখন এড়িয়ে চলুন। রেড মিট নৈব নৈব চ। ফাস্ট ফুড, ডিপ-ফ্রাই করা খাবার, আইসক্রিম, কোল্ড ড্রিংক্স, অ্যালকোহল না খাওয়াই ভালো।  স্ন্যাক্স হিসাবে খান ফল, গ্রিলড্ খাবার, চাট, স্যালাড, আমন্ড, টক দই।

 

 

 

 

#) ভাত, ময়দা, চিনি কম খান। পারলে ঢেঁকি-ছাঁটা চালের ভাত খান। আটার রুটি খান। চা-কফিতে চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন।

 

ভুঁড়ি কমানোর উপায়

#) মেদ কমাতে না খেয়ে খালি পেটে থাকেন অনেকে। সেটি খুবই ভুল ধারণা। অল্প অল্প পরিমাণে বারে বারে খান। নয় তো হিতে বিপরীত হবে।

 

 

 

 

# মেদহীন সুস্থ শরীরের মূল শর্ত পরিমিত আহার ও ব্যায়াম।

 

 

 

 

#. খাওয়ার সময় পেট পুরে না খাওয়া। খাবার ভালো হজম হবে। অতিরিক্ত ক্যালরির সমস্যাও হবে না।

 

 

 

 

#. দিনের খাবারে প্রোটিনের পরিমাণ বেশি । ছোট মাছ খান।  প্রচুর শাকসবজি ও ফল।

 

 

 

 

#. বাড়িতে রান্না করা খাবার খাওয়া। অতিরিক্ত তেল-মসলা, ঘি-মাখন এড়িয়ে চলুন। রেড মিট খাবেন না। ফাস্টফুড, ডিপ-ফ্রাই করা খাবার, আইসক্রিম,না খাওয়াই ভালো।

 

ভুঁড়ি কমানোর উপায়

 

#. ভাত, ময়দা ও চিনি কম । পারলে ঢেঁকি-ছাঁটা চালের ভাত খান। আটার রুটি খান।

 

 

 

 

#.  শরীরচর্চা করুন। রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠে আধাঘণ্টা রাখুন নিজের জন্য। স্কিপিং, বুক ডাউন, পুল-আপের মতো খালি হাতে ব্যায়াম করুন।

 

ভুঁড়ি কমানোর উপায়

 

#. মেদ কমাতে না খেয়ে খালি পেটে থাকেন অনেকে। সেটি খুবই ভুল ধারণা। অল্প পরিমাণে বারবার খান।

ভুঁড়ি কমানোর উপায়

ভুঁড়ি কমানোর উপায়

ভুঁড়ি কমানোর উপায়

ভুঁড়ি কমানোর উপায়

ভুঁড়ি কমানোর উপায়

ভুঁড়ি কমানোর উপায়

ভুঁড়ি কমানোর উপায়

ভুঁড়ি কমানোর উপায়

ভুঁড়ি কমানোর উপায়

ভুঁড়ি কমানোর উপায়

ভুঁড়ি কমানোর উপায়

ভুঁড়ি কমানোর উপায়

Related Posts

4 thoughts on “ভুঁড়ি কমানোর উপায়

  1. পোষ্টটি পড়ে অনেক কিছু শিখতে পারলাম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *