ভালোবাসার গল্প,ভালোবাসার কষ্ট

মার খাওয়াতে পছন্দ করা গার্লফ্রেন্ড।

ভালোএই নিচের ছবি টা দেখতে পাচ্ছেন এটার দিকে লক্ষ করে দেখুন।
একটা ছেলে একটা মেয়ে কে কুলে উঠিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
কারন তার ভালোবাসার মানুষের পায়ে কাঁদা লাগতে দিবে না।
প্রচুন্ড ভালোবাসে তাই নিজের পা পানিতে ভিজিয়ে
গার্লফ্রেন্ড কে কুলে উঠিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
বলতে পারেন কাজ সামান্য কিন্তু ভালোবাসে বলে এই সামান্য কাজ ও বড় মনে করছে।

সকাল থেকে এই রাস্তায় বসে আছি
মন টা ভিষণ খারাপ।
সিঙ্গেল থাকতে থাকতে হতাশ হয়ে গেছি

তার উপর আবার এই রকম একটা রোমান্টিক কাহিনী চোখের সামনে ঘটতে দেখতাছি।
রাগে লুচির মতো ফুলতাছি। সহ্য হচ্ছে না এদের তামাশা।

মেয়েটা পানির এদিকে ছিলো ছেলেটা ছিলো সামনের দিকে।
আমার কেমন জানি অদ্ভুত লাগছিলো
কৌতূহল জাগলো মনে।
মনে হয়েছিলো এরা গফ বফ না
কেনো এমন মনে হলো জানি না মনের সন্দেহ মিটানোর জন্য তাদের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম

আপনারা কি গফ বফ?
মেয়ে টা উত্তর দিলো না আজই তাদের প্রথম দেখা
ছেলেটার কাছে হেল্প চাইছে ছেলেটা কোলে উঠিয়ে নিতে চাইছে মেয়েটা রাজি হয়েছে
তবে ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হলো এখন দুইজন দুইজন কে ভালোবেসে ফেলেছে।

আমি কপাল চাপড়িয়ে বললাম বাহ বাহ তিন বছর ধরে শত শত মাইল হেঁটে তন্ন তন্ন করে খুজে ও একটা গফ পাইনি।
আর আপনি এত টুকু রাস্তা হেঁটেই গফ পেয়ে গেলেন?
স্যালুট ভাই আপনারে।

মনের দুঃখে কথা গুলা বলে চলে এসে আবার আগের জায়গায় বসে পড়ছি।

উনার মতো হেল্প করে একটা গফ পাওয়ার আশায়।

কিছু সময় পর আশা পুরন হইছে
ভাইরে বোন খুশিতে ঠেলায় কে দেখি নাই

আমার কাছে হেল্প চাইতেই আমি দৌড়ে কোলে তুলে নিলাম।
প্রথমে খুশি ওজন বুঝিনি
পানির মাঝ খানে যাওয়ার পর বুঝলাম আমার এনার্জি শেষ ঘেমে একে বারে খারাপ অবস্থা
সামনে আর আগাইতে পারলাম না ছেড়ে দিলাম
টাস করে পানিতে পড়ে গেলো।
হাতির মতো বেডি আইছে হেল্প চাইতে।

পরে আর কি হবে ওই মহিলা আর বর তাদের দুই ছেলে নিয়ে আমাকে খুজতাছে।
আদর করার জন্য😥

১৮০ মাইল বেগে দৌড়। নিজে বাঁচলে বাপের নাম। দৌড়াতে দৌড়াতে এক কি একটা মেয়ের সাথে ধাক্কা,এক্কেরে চোখ ছানাবড়া হয়ে গেলে,এতো সুন্দরী, তাকে গফ না বানিয়ে ছাড়ি কি করে!সাথে সাথে আমার কানে ধরে বল্লাম,আমাকে বাঁচান,ভুল হয়ে গেছে। হেল্প করতে গিয়ে নিজেই ফেসে গেলাম।এ দিকে তেরে আসছে তারা,আমি সুন্দরীর পেছনে দাড়ালাম।সুন্দরী এ কি দেখালে,তাদের সাথে ঝগড়া করে বাঁচিয়ে দিল এবারের মতো।!

মনে মনে ভাবলাম একে পটাতে পারলে ভালোই হবে, আমাকে যেকোনো বিপদ থেকে বাঁচিয়ে আনতে পারবে।যেই ভাবনা সেই কাজ,প্রপোজ করে ফেল্লাম,সুন্দরী নিমিষেই আমার অফার গ্রহণ করলো।প্রথম প্রথম কয়েক দিন ভালোই কাটল সময়।

এর পরই দেখতে পাওয়া শুরু করলাম,সুন্দরীর আসল চেয়ারা।সুন্দরী তো আমাকে মনে হয় বাঁচতেই দিবে না।সুন্দরীর এমন ব্যাবহার,যে দেখে আমি চিন্তিত,কি করব আমি?

আমি আর সুন্দরীর মানে

গার্লফ্রেন্ড কে  নিয়ে আমি কোথাও ঘুরতে বের হইনা। ভুলে ও বের হইনা

গার্লফ্রেন্ড নিয়ে কোথাও ঘুরতে গেলেই আমাকে একটা না একটা বিপদে ফেলবেই।

যদি দশ হাজার টাকার শপিং করতো তাহলে ঠিক
আছিলো
আমি শপিং করে দিতাম কোনো কিছু জিজ্ঞেস না করেই।

খাওয়ার দরকার নেই৷ তারপর ও যদি রেস্টুরেন্টে বসে খাওয়া দাওয়া করে ৫ হাজার টাকা বিল উঠিয়ে বলতো
বিল দাও তারপর ও মেনে নিতাম কিছু বলতাম না।

কিন্তু সে এই টাইপের কোনো কিছু করে না
সে জনগণের হাতে আমাকে রাম ধোলাই খাওয়ায়।

আমার হাত ধরে হাটতাছে হটাৎ বলে এই ছেলে আমার হাত ধরলেন কেন?
কে আপনি অপরিচিত একটা মেয়ের হাত ধরতে লজ্জা লাগে না? অসভ্য কোথাকার।
পাশে থাকা চার পাঁচ জন লোক প্রস্তুত হয়ে গেছে আমাকে মারার জন্য।😥

লোকজন কে অনেক অনুরোধ করে বিশ্বাস করাইছি এটা আমার গার্লফ্রেন্ড।
ভাগ্য ভালো ওরা বুঝের মানুষ ছিলো বলে মারে নাই।
জিজ্ঞেস করলাম এমন করলা কেন?
বলে ওরা মারলে তোমার হাত পা ভাঙতো
আর আমি তোমার সেবা করার সুযোগ পাইতাম।
আমি মনে মনে ভাবি এটা গার্লফ্রেন্ড না ইবলিশ রে বাবা
সেবা করার জন্য মার খাওয়ায়।আরো এমন কতো মারাত্বক মারাত্বক  কাজ করছে,  ভাইরে ভাই,আমি আর নাই।প্রেম টেম পরে বাঁচলে জিবনে এর থেকেও সুন্দরী গার্লফ্রেন্ড পাওয়া যাবে। কিন্তুু,এই মেয়ের থেকে আগে পালাই।মেয়ে তো না যেন, মেরে ফেলার কল।এমন মেয়ের সাথে যেন আল্লাহ কাউকে না মিলায়।তাহলে,তার জিবন ত্যাজপাতা করে ছারবে।

এখন,আপনারাই বলেন এমন মেয়ে কে জিবন সাথী করা ঠিক হবে কি না?নাকি ছেড়ে দিব?

Related Posts

36 thoughts on “মার খাওয়াতে পছন্দ করা গার্লফ্রেন্ড।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *