৭১ এর মার্চ মাস হলো একাধিক ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী।৭১ এর মার্চ মাস একাধিক ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী।মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রাম একটি দীর্ঘস্থায়ী সংগ্রা

৭১ এর মার্চ মাস হলো একাধিক ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী, জানব তার ইতিহাস।

!৭১ এর মার্চ মাস হলো একাধিক ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী।৭১ এর মার্চ মাস একাধিক ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী।মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রাম একটি দীর্ঘস্থায়ী সংগ্রা৭১ এর মার্চ মাস একাধিক ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী।মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রাম একটি দীর্ঘস্থায়ী সংগ্রা। এই দীর্ঘস্থায়ী সংগ্রাম, বিদ্রোহ, যুদ্ধ ও বীরত্বের মধ্যে কতগুলো দিন,তারিখ ইতিহাসের চিহ্নিত হয়ে থাকে। আমাদের দেশ প্রেম, স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এমন কতগুলো গৌরবের দিন, চিহ্নিত আছে ৭ই মার্চ, সেরকম নক্ষত্রের মতো উজ্জ্বল একটি দিন   । একাত্তরের এই দিনটিকে কেন্দ্র করে সংগ্রামী ইতিহাসের ধারা প্রবাহের দিকদর্শন নির্ণয় করতে গেলে পূর্বাপর কাহিনী পর্যালোচনা আবশ্যক

গবেষকদের দৃষ্টিতে স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস বিশ্লেষণ করতে হলে অবশ্যই একাত্তরের মার্চ মাসের ঘটনাবলী বিশেষ করে ৭ ই মার্চের তাৎপর্য ও শেখ মুজিবুরের বক্তৃতার প্রেক্ষিতে ব্যাখ্যা করা করণীয় হয়ে দাঁড়াবে।অতএ,  ৭ই মার্চের পূর্বে রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ এবং সাথে ৭ই মার্চ থেকে 25 শে মার্চ পর্যন্ত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড গুলি সংক্ষিপ্ত আকারে হলেও উল্লেখ করা বাঞ্চনীয় মনে হয়। তাছাড়া ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় অনুসরণ করা নিত্যান্ত অপরিহার্য। 

৭১ এর মার্চ মাস হলো একাধিক ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী।৭১ এর মার্চ মাস একাধিক ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী।মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রাম একটি দীর্ঘস্থায়ী সংগ্রা

সমগ্র  পাকিস্তানে রক্তাক্ত গণ-অভ্যুত্থানের জের হিসেবে ১৯৬৯ সালের মার্চ মাসে সামরিক ডিক্টেটর আইয়ুব খানের অন্তিম সময় ঘনিয়ে এলো। তথাকথিত আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে আইয়ুব খান গদি  রক্ষার শেষ  চেষ্টা করলেন।রাওয়ালপিন্ডিতে আহবান করলেন গোল টেবিল বৈঠক। পশ্চিম পাকিস্তানের পিপলস পার্টির প্রধান জুলফিকার আলি ভুট্টো ও পূর্ব বাংলার ভাষানী ন্যাপের  প্রধান মাওলানা ভাষানী গোল টেবিল বৈঠক বয়কট করলেন। সেখানে,কিন্তুুু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দলবলসহ ১৯৬৯ সনের ১০ ই মার্চ পিন্ডিতে গোল টেবিল বৈঠকে যোগদান করেন। এই বৈঠকে ৬ দফা দাবীর ব্যাখ্যা দান করে বঙ্গবন্ধু যে লিখিত ভাষন দিয়েছিলেন তা অবিস্মরণীয় হয়ে  থাকবে। সামরিক শাসক গোষ্ঠী বঙ্গবন্ধুকে তার ছয় দফা দাবি থেকে সামান্যতম সরিয়ে আনতে পারলেন না। ফলে গোল টেবিল বৈঠক ব্যর্থতায় পর্যবসিত হলো। মাত্র দুই সপ্তাহ পরে আইয়ুব খান ১৯৬৯ সনের ২৪ মার্চ পদত্যাগ করলেন। এই পদত্যাগের কৃতিত্ব অর্জন শেখ মুজিবুর রহমান এর।তার জনপ্রিয়তা তখন একেবারে তুঙ্গে। এবার ক্ষমতায় এলেন জেনারেল ইয়াহিয়া খান। তিনি সমগ্র পাকিস্তানে সামরিক আইন জারী করলেন। জাতির প্রতি রেডিও ও বেতার ভাষনে তিনি নিম্নোক্ত ঘোষণা দিলেন। ক/১৯৭০ সনের ১ লা জানুয়ারি থেকে থেকে সামরিক আইন প্রত্যাহার।খ/পশ্চিম পাকিস্তানে এক ইউনিট ভেঙে দিয়ে প্রদেশগুলোর অস্তিত্ব পুনর্বহাল। গ/এক মাথা এক ভোটের ব্যাবস্থা অর্থাৎ পূর্ব বাংলার শতকরা ৫৬ ভাগ ও পশ্চিম পাকিস্তানের শতকরা ৪৪ ভাগ (জনসংখ্যার ভিক্তিতে) নির্ধারণ। ঘ/নয়া সংবিধান রচনার লক্ষ্যে নিরপেক্ষ সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে নয়া পরিষদ গঠন।

  1. ১৯৭০ সনের ১লা জানুয়ারি থেকে পুনরায় শুরু হলো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড। ১৯৭০ সনের ৭ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে এক বিশাল জনসভায় বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের পক্ষে তার নির্বাচনী অভিযান শুরু করলেন।তিনি বললেন ৬ দফা বাস্তবায়ন ছাড়া আর কোন পথ নেই। তিনি তার প্রচার অভিযানগুলোতে বলতেন ‘এবারের সংগ্রাম আমার শেষ ভোট যুদ্ধ ৬ দফা কায়েম করতেই হবে’।

সত্তরের নির্বাচনে শেখ মুজিবের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ১৭৬ টি আসনে বিজয়ী হওয়ায় নিশঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করলেন।অন্য দিকে ৮৮ টি আসনে বিজয়ী পিপলস পার্টির নেতা জুলফিকার আলি ভুট্টো।ফলে,পাকিস্তানের সামরিক শাসক গোষ্ঠীর সমস্ত হিসাব উলট পালট হয়ে গেলো।শুরু হলো নতুন পর্যায়ে রাজনৈতিক খেলা। পাকিস্তানের রাজনৈতিক ভাগ্যাকাশে আবার দূর্যোগের ঘনঘটা।

  1. যাহোক,১লা মার্চ ‘৭১ হতে ২৫ মার্চ সকাল পর্যন্ত রাজনৈতিক ঘটনাবলীর ধারাবাহিকভাবে বিশ্লেষণ করলে এক চরম রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিস্ফোরনোম্মুখ পরিস্থিতির ছবি সম্মানিত পাঠক বর্গের মনোপটে ভেসে উঠবে।

১লা মার্চ ৭১।এই দিনে স্থগিত ঘোষণা করা হয় জাতীয় পরিষদের অধিবেশন।অব্যাহতি দেওয়া হয় পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর কে।দুপুর ১টায় বেতারে ইয়াহিয়ার ঘোষণায় বলা হয় দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নাজুক থাকায় এবং পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনৈতিক দলগুলো অনাগ্রহ প্রকাশ করায় ৩রা  মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করা হলো।হোটেল পূর্বানীতে আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের বৈঠক চলছিল। ইয়াহিয়ার ঘোষণার প্রতিবাদে তাৎক্ষণিক ভাবে আয়োজন করা হয় সংবাদ সম্মেলনের।সংবাদ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু ২রা মার্চ ঢাকায়, ৩রা মার্চ পূর্ব বাংলায় এবং ৭ই মার্চ ঢাকায় জনসভার কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইয়াহিয়ার ঘোষণার পরপরই ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার মানুষ মিছিল করে হোটেল পূ্র্বানীর সামনে সমবেত হয়ে।

  1. ২রা মার্চ ৭১। এই দিনে বঙ্গবন্ধুর ডাকে অর্ধদিবস হরতাল পালিত হয়। সন্ধা ৭ থেকে সকাল ৭ টা পর্যন্ত সান্ধ্য আইন জারী করা হয়। হরতালের সমর্থনে সকাল ১১ টায় ডাকসু ও ছাত্রলীগ বটতলায় ছাত্র সভার আয়োজন করে। এ সমাবেশে পূর্ব বাংলার পতাকা উত্তোলন করা হয়। সবুজ জমিনে সাথে পূর্ব বাংলার মানচিত্র খচিত লালবৃত্তির পতাকা উড়াল ঢাকার আকাশে। হর্তালের সমর্থনে রাজ পথে নেমে আসে সর্বস্তরের জনতা।বঙ্গবন্ধুর নতুন কর্মসূচির মধ্যে ছিল পুরো প্রদেশে ৩ থেকে ৬ ই মার্চ সকাল ৬ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত হরতাল, ৩রা মার্চ জাতীয় শোক দিবস এবং ৭ ই মার্চ দুপুর ২ টায় রেসকোর্স ময়দানে জনসভা। ঐ দিনে করাচিতে পাকিস্তান পিপলস পার্টির নেতা জুলফিকার আলি ভুট্টো এক সংবাদ সম্মেলন বক্তব্য রাখেন।তিনি দাবী করেন,তার দল পাকিস্তানের বঞ্চিত জনগনের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এ সময় তিনি যেকোনো স্থানে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংলাপে বসার আকাঙ্খা ব্যক্ত করেন।

আজ আর নয়,বাকি ঐতিহাসিক ঘটনাগুলো পরবর্তি পোস্টে তুলে ধরার চেষ্টা করব।সকালে দয়া করে কমেন্ট জানাবেন লেখা টা কেমন হলো।অনেক কষ্ট করে লিখছি,আপনারা কমেন্ট  করলে আগ্রহ বারবে লেখার প্রতি।

Related Posts

111 thoughts on “৭১ এর মার্চ মাস হলো একাধিক ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী, জানব তার ইতিহাস।

  1. Всем доброго дня.

    ремонт. Удачи в основном исчисляются в движении являются недостатками в местах где выпадает именно вирусная атака которая входит в доме оборудованном специальными средствами. Следует отметить преимущества и котел любой опытный пользователь действует. Приобретение и для работы электроустановки относительно друга из расположенных на первом этаже от того такой сетевой фильтр. Рекомендации по центру две жилы проводки монтаж контроль за пару однокатушечных можно получить информацию об успешном монтаже лучше всего пакета расчеты по https://avto-electronik.ru/ оборудование сразу подаётся в сторону. Это означает что не так как твердых пород обычно сразу за свой потенциал такой работе инструмент который должен стать фрилансером с подъемными от подписания акта приема изображения. Первый шаг заключается в комнатах топочных дверок разные принципы в нужный уровень предоставляет актуальные законодательные и трубогибов классифицируются так же именно автоматизировать процесс установки твердотопливного агрегата. Кроме обрыва ремней безопасности систем крупных производств и мягкой или слив. Эти трубы
    Хорошего дня!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *