সাইলেন্ট লাভার

গল্পঃ #Silent_Love
পর্বঃ ১ম পব
লেখকঃ #মৃত_আত্মা#START

বাইকের স্পিড প্রায় ১৪০+ নিয়ে চালাচ্ছি চোখ দিয়ে অঝরে পানি পরছে মনে মনে বলছি কেন তোমাকে এতো ভালোবেসে ছিলাম। ভালোই ছিলাম তোমাকে ভালো না বেসে, তুমি আমাকে ভদ্র করেছো তোমার মায়ায় ফেলাতে। ভালো যদি না ভাসতাম তাহলে আজকে আমাকে এই দিন আর দেখতে হতো না। হঠাৎ করে কোথা থেকে বড় সর একটা ট্যাক এসে ধাক্কা লেগে যায় আর কিছু মনে নেই,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,?

[ একটু Flashback এ যাওয়া যাক ]

Flashback

সকাল থেকে টেনশনে আছি কারন HSC পরীক্ষার রেজাল্ট দিবে আজ। আরে ভাই ফেইল করব সেই টেনসন না, A+ পাব কি না সেই টেনসন। আর A+ পাওয়ার জন্য এত টেনসন কেন করছি জানেন, কারন আব্বু বলছিলো তুমি যদি A+ পাও তাহলে তোমাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি করাবো না পেলে নাকি private varcity তে ভর্তি করাবে। আমার অনেক দিনের আশা আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরবো। সেই জন্য সকাল থেকে রুমে বসে টেনশনে ডান হাত মুখে দিয়ে চাড়ি কামরাচ্ছি। একটু পড় আমার বন্দু সজিব ক্লাসমেট দিল

আমিঃ হে মামা বল

সজিবঃ মামা তুই তো পাশ করেছিস

আমিঃ আরে পাশ তো বুঝলাম, কিন্তুু কি গ্রেড পেয়েছি সেটা বল

সজিবঃ A+ পাইছস মামা পাটি দিবি কবে বল, তোর তো সপ্ন পূরন হতে যাচ্ছে

আমিঃ মামা বলস কি,,,, বিকালে সিজলা রেস্টুরেন্ট চলে আসিস সাথে আশিক+জিদান+সিয়াম কে নিয়ে আসিস,,,,

সজিবঃ ok

তারপরে কল কেটে দেই, সবার আগে আব্বুর কাছে খবর দিয়ে আসি, আব্বুর রুমে যাই গিয়ে আব্বুকে জরিয়ে ধরে বলি

আমিঃ আব্বু আমার সপ্ন পূরন হতে চলেছে

আব্বুঃ তার মানে তুমি A+ পেয়েছো

আমিঃ হে আব্বু আমি A+ পেয়েছি

আব্বুঃ তাহলে তো ভালই, যাই আমি মিষ্টি নিয়ে আসি (বলেই চলে গেল মিষ্টর আনেত)

আমি গিয়ে আম্মু কে খবরটা দিয়ে আসি, দেখি আম্মু টেবিলে নাস্তা সাজাচ্ছে তাই আমি পেছন থেকে জরিয়ে ধরে বলি

আমিঃ আম্মু আমি আজকে অনেক খুশি

আম্মুঃ আমি জানি তুমি কেন এত খুশি, কারন তোমার সপ্ন পূরন হতে চলেছে [ কথাটা বলেই আমার কপালে একটা পাপ্পি দিল ]

আমিঃ আম্মু আমার পেত্নী বোনটা কোথায়

আম্মুঃ মন খারাপ করে ওর রুমে বসে আছে

আমিঃ আচ্ছা আমি ওর মনটা ভালো করে আসি

আমি জানি বোনটার মন খারাপ কেন, কারন আমি ঢাকা পরার জন্য চলে গেলে ওর সাথে খুনসুটি করবে কে, তার জন্য, আমারা ভাই বোন ফ্রেডের মতো চলি, ওর রুমে গিয়ে দেখি মন খারাপ করে বসে আছে, আমি গিয়ে ওর গালে হাত দিয়ে বলি

আমিঃ কিরে মন খারাপ [ গালে হাত দিয়ে ]

আফসু আমার বোনের নামঃ না এমনি

আমিঃ আমি চলে যাব দেখে মন খারাপ [ কথাটা বলার সাথে সাথে আফসু আমাকে জরিয়ে দরে কান্না করে দেয়]

আফসুঃ তোর কি ঢাকা যাওয়াই লাগবে, এখানে পরলে কি হয়
[ কান্না করে ]

আমিঃ আরে কান্না করিস কেনো, আমার তো একটা কেরিয়ার আছে, আর আমার সপ্ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা, তুই কি চাস না তোর ভাই এর সপ্ন পূরন হোক না [ ইমোশনাল ব্লাকমেল করে ]

আমিঃ হু আমি চাই আমার ভাই এর সপ্ন পূরন হোক [ কান্না থামিয়ে ]

যাক অবশেষে কাজ হলো, তারপরে আফসুর সাথে আরো কিছুক্ষন আড্ডা দিয়ে রুমে চলে যাই, তো বন্দুরা এখন পরিচয়টা দিয়ে দেই

আমি ছোটন। পরিবারে ৪ জন সদস্য আব্বু-আম্মু, আমি আর আদরের ছোট বোন। আর কিছু জানা লাগবে না আস্তে আস্তে সব জানতে পারবেন। বিকালে দিকে রেস্টুরেন্টে চলে যাই গিয়ে দেখি সব হারামিরা আমার আগে এসে বসে আছে। আমি গিয়ে অর্ডার দিলাম ওরাও অর্ডার দিল। আমি সুধু মাএ একটা কুল্ডডিংস খাচ্ছি। আর ওরা যেটা পারে অর্ডার দিচ্ছে, না জানি কয়দিন ধরে না খেয়ে আছে, Free পেলে যা হয় আরকি পেটুক কোথাকার। খাওয়া দাওয়ার পর আমি সকলর সাথে আড্ডা দিলাম, এক পর্যায় সব হারামিরা চলে গেল। রয়ে গেল বিলের কাগজ, তাকিয়ে দেখি ৮৮৯০ টাকা হইছে। কি আর করার বিল মিটিয়ে বাসায় চলে আসি। আসার সময় বোনের জন্য ফুচকা

আর আইসক্রিম নিয় এলাম। কারন সে এগুলার পাগল,
তারপরে আমি বাসায় চলে আসি বাসায় এসে, আফসুকে আনা জিনিস গুলা দিলাম তার পরীর্বতে আমাকে পাপ্পি দিল। রাএে সবার সাথে আড্ডা দিয়ে ডিনার করে ঘুমিয়ে পড়লাম। কারন কালকে সকাল সকাল ঢাকা যেতে হবে,,,,,সকালে ঘুম থেকে উঠে রোজকার মতো সব কাজ সেরে,,, রেডি হয়ে নিলাম সবার কাছে বিদায় নিয়ে চলে যাই ঢাকার উদ্দেশ্যে।

অবস্য বিদায়ের সময় আম্মু আর বোন কান্না করেছে। বসে আছি বাসে, আব্বু বলছিল খালামুনিদের বাসায় থেকে পড়াশোনা করতে। আমি সোজা না বলে দেই কারন খালার মেয়ে আমাকে প্যারা দেয়। কিন্তুু এ প্যারা সে প্যারা না ভালোবাসার প্যারা। সে নাকি আমাকে ভালোবাসে, কিন্তুুু আমি তো তাকে ভালোবাসি না। কারন তাকে আমি নিজের বোনের মতো করে দেখি, তাকে

আমি কি ভাবে ভালোবাসি বলুন তো। সে জন্য খালামুনিদের বাসায় না থেকে, মেসে থাকবো। অবস্য নতুন জায়গা মানিয়ে নিতে হবে। গন্তব্যে এসে গেলাম তারপরে একাটা মেসে উঠলাম। সেখানে আমার মতো অনেকে আছে মেসে থেকে পড়াশোনা করে। মেসে আমার কয়েকটা ফেন্ড হয়ে যায়। ও হে আপনাদের তো বলা হয়নি আমার বাইক, আর সেটা কুরিয়ার এর মাধ্যে এখানে পৌছে যাবে।
মেসে থেকে তারপরের দিন ভর্তি হয়ে আসলাম। অতএব তারপরের দিন রেডি হয়ে কলেজে পড়তে গেলাম। যখনি আমি গেইট দিয়ে ডুকতে যাব। একটা পরি কে দেখে দাড়িয়ে গেলাম, চলে গেলাম সপ্নে, আপনি বলছেন দিনের বেলা পরি আসবে কোথা থেকে। আরে ভাই আমার দেখা শেষ্ট মেয়ে দেখেছি তাই পরি বললাম। তখনি কে জে ডাক দিল

একজনঃ ওই মাল এদিকে আয়

তারপরে,,,,,,,,,,,

***********চলবে ************

Related Posts

8 thoughts on “সাইলেন্ট লাভার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *