মিথ্যা ভালোবাসার গল্প, ভালোবাসায় কাঁদানো, ভালোবাসার জ্বালা

ভালোবেসে ধোকা খাওয়ার গল্প

মিথ্যা ভালোবাসার গল্প,আমি আপনাদের সামনে হাজির হলাম একটা মিথ্যা ভালোবাসার গল্প নিয়ে।যে গল্প শুনলে আপনাদের মনে কারো জন্য জাগবে মায়া কারো জন্য ঘৃনা আসবে কারো জন্য রাগ। হ্যা এমনই একটা মিথ্যা ভালোবাসার গল্প আপনাদের শোনাবো।

যাদের নিয়ে গল্পটা বলব,তাদের  নাম এবং ঠিকানা গোপন রাখতে বলা হয়েছে গোপনে তাদের বিষয়টা আমি আপনাদের সাথে তুলে ধরলাম। আপনারা গল্পটা মনোযোগ দিয়ে পড়লে পুরো বিষয়টা বুঝতে পারবেন এবং কমেন্টে জানাবেন যে আসলে বর্তমান সময়ে তাহাদের কার কি করা উচিত?

ছোট্ট একটা মেয়ে যার বয়স 14 থেকে 15 হবে। পরে ক্লাস নাইনে মাত্র,  জানুয়ারি মাসের 26 তারিখ 2014 সাল তখন।মেয়েটার বাবার ছোট্ট মুঠোফোনে একটা রং নাম্বারে কল আসে মেয়েটা ফোনটা রিসিভ করে জানতে চায় কে ফোন দিয়েছে? ফোনের ওপাশ থেকে কন্ঠ আসে একটা ছেলের। মেয়েটা জানতে পারে ছেলেটা ফোন দিয়েছে ঢাকাতে তখন মেয়েটা বলে এটা ঢাকায় না। আপনি রং নাম্বারে ফোন দিয়েছেন। দ্বিতীয়বার এই নাম্বারে ফোন দিবেন না। কিন্ত,  ছেলেটা মেয়েটার কোন কথা শোনে না ছেলেটা বারবার মেয়েটাকে ফোন দিতে থাকে দিনে-রাতে কিন্তু মেয়েটা তখন বুঝতে পারে না কিভাবে তার ফোন দেওয়া বন্ধ করবে? কীভাবে নাম্বার ব্ল্যাকলিস্টে রাখবে? তখন মেয়েটা এত কিছু বোঝেনা!

কিন্তু ছেলেটা বারবার ফোন দিতে থাকায় মেয়েটা ছেলেটাকে অনেক বকাবকি কর। অনেক রাগারাগি করে তাতে ছেলেটা কোনোভাবেই ফোন দেওয়া থেকে বিরত থাকে না। ছেলেটা মেয়েটাকে বোঝাতে থাকে যে মানুষকে ভালবাসতে শিখো। তাহলে,  দেখবে অনেক ভালো লাগবে। এরকম করে রোমান্টিক ভাবে অনেক রকম কথাবার্তা বলে, যে কথার পাল্লায় পড়ে মেয়েটা বাধ্য হয় তার ভালোবাসায় সারা দিতে । একপর্যায়ে মেয়েটা ছেলেটাকে ভালোবেসে ফেললো। ছেলেটার সকল রোমান্টিক কথাবার্তা ফলে, মেয়েটা ছেলেটাকে বলে আমরা গরীব মানুষ আমাদের টাকা পয়সা ধন সম্পদ নেই। আমরা কাউকে যৌতুক দিতে পারব না। আমরা যৌতুক দিয়ে বিয়ে করতে পারব না। ছেলেটা বলে আমাদের টাকা পয়সা ধন সম্পদের অভাব নেই, অভাব নেই আমি কোন যৌতুক চাইনা মনের মত একটা মানুষ পেলে আমি খুশি। তখন এইসব কথাবার্তাই কেটে যায় তাদের এক থেকে দের বছর।দেখা করার মানে যে শরীরের ছোয়া নেয়া,তা কোনভাবে বুঝতে পারেনি। তাই, মেয়েটা ছেলেটার কথায় রাজি হয়। দেখা করতে কিন্তু,মেয়েটা ছোট কখনো একা বাহিরে চলাফেরা করেনি, কিভাবে দেখা করবে কিছুই বুঝতে না পারায়, ছেলেটা মেয়েটার ভাইয়ের সাথে রং নাম্বারে পরিচয় হয়ে,বন্ধু সেজে মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসে। মেয়েটা প্রথমে তাকে দেখে না, তাকে নাস্তা পানি খাওয়া দুপুরবেলা ছেলেটা বাসায় আগে কিন্তু, মেয়েটা দেখতে পায় সন্ধ্যার পর। সন্ধ্যার পরে ছেলেটাকে দেখে মেয়েটা পছন্দ করেনা, এই কারন,ছেলেটা দেখতে বখাটে।

মেয়েটার ছেলেটাকে পছন্দ হয়নি, এজন্য মেয়েটা ছেলেটাকে না করে।  কিন্তু, কীভাবে না করবে মোবাইল মেয়েটার ভাই নিয়ে গেছে তাই, মেয়েটা চিঠি লিখে ছেলেটাকে জানায়, তাকে না করে দেয়। যে তার সাথে সম্পর্ক রাখবে না। তাকে পছন্দ হয়নি। কিন্তু, ছেলেটা মেয়েটাকে ভয় দেখায।!  বলে আত্মহত্যা করব,  মেয়েটার বাড়িতে বিশ খেয়ে মরবে,গাড়ির নিচে পড়বে এসব বলায়,মেয়েটা আবেগে আর ছেলেটাকে নাা করতে পারেনি। মেয়েটার তার নিজ বিছানায় ঘুমাতে যায়। মেয়েটার রুমের দরজায় একটু সমস্যা ছিল। দরজা ভালো করে আটকানো যেত না। তাই, মেয়েটার মা দরজার সামনে কিছু আসবাবপত্র দিয়ে রাখে, যদি ছেলেটার কোনো কুমতলব থাকে তাহলে, সবাই টের পাবে। দরজার কাছে কেউ আসলে। কিন্তু,কিন্তু রাত বারোটা থেকে একটার দিকে ছেলেটা মেয়েটার বিছানায় আসে, মেয়েটাকে বুঝতে পারেনি কিভাবে বিছানায় আসলো? বিছানায় জায়গাদিতে চায়নি কিন্তু, ছেলেটা জোর করে জায়গা নিল। তারপর,মেয়েটাার গায়ে হাত দিলে,মেয়েটা বলে, মাা বাবাকে বলবো।তখন ছেলেেেটা বলে সমস্যা নেই, আমি বলবো তুমি আমাকে ডাকছো।একথা শুনে মেয়েটা আর কিছু করতে পারলো না।ছেলেটা সব কেড়ে নিলো।  মেয়েটাকে বল ছেলেটা বাড়িতে গিয়ে  গার্ডিয়ান নিয়ে আসবে, বিয়ে করার জন্য। কিন্তু, ছেলে আর  আসেনি। অনেক সময় পরে ছেলেটা এসে বিয়ে করে। মেয়েটা কিছু সময় পরে জানতে পারে, ছেলেটের স্ত্রী ও তিন সন্তান আছে। সন্তানেরা মেয়েটার সমবয়স। আর মেয়েটা কে ওই ছেলেটা এবং ছেলের মা ভাইয়েরা অত্যাচার করে শারীরিক-ও মানসিকভাবে । এখন মেয়েটা কি করতে পারে আপনারা কমেন্টে জানাবেন

 

Related Posts

82 thoughts on “ভালোবেসে ধোকা খাওয়ার গল্প

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *