ছাএ জীবনে ব্যবসা না করে টাকা জমানোর কৌশল

ছাএ জীবনে ব্যবসা না করে টাকা জমানোর কৌশল

আসসালামুআলাইকুম আশা করি সবাই ভালো আছেন। আজকে আমি আপনাদেরকে বলবো ছাত্রজীবনের টাকা জমানোর কিছু উপায়।অর্থ সঞ্চয় করা নিঃসন্দেহে একটি ভাল কাজ।আর সেটি যদি ছাত্রজীবনে হয় তাহলে তো আর কোন কথাই নেই।কিন্তু এই কাজটা শুরু করাটা অনেক কঠিন কারণ এই সময় মন চায় শুধু খরচ করতে। যাক অবৈধ চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে একটি চ্যালেঞ্জ নিয়ে ফেলুন যে কিভাবে ছাত্রজীবনে ব্যবসা না করে টাকা জমাবেন।তাহলে চলুুুন জেনে নেওয়া যাক এই সম্পর্কেঃ

 

 

 

নির্দৃষ্ট লক্ষ্য ঠিক করুন

 

যেসব উপায়ে আপনি টাকা জমানোর চ্যালেঞ্জ আপনাকে টাকা সঞ্চয় করতে হলে মূল যে জিনিসটা আগে মাথায় নিতে হবে সেটি হলো আপনি টাকা সঞ্চয় করে কি করবেন। এটি হলো সঞ্চয়ের উদ্দেশ্য ।সাধারণত সঞ্চয় করার উদ্দেশ্য ঠিক হয়ে গেলে টাকা সঞ্চয় করার জন্য উৎসাহ বাড়ে।তাই সঞ্চয় এর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য সঞ্চয় এর উদ্দেশ্য ঠিক করা কে প্রথম পদক্ষেপ বলা হয়ে থাকে।

 

 

 

নির্ধারিত উদ্দেশ্য পূরণ করার জন্য দরকার হলে আপনি আপনার পরিবারের লোকদের সাহায্য নিতে পারেন।আপনি যদি অর্থ সঞ্চয় করাটাকে একটি আনন্দ হিসেবে নিতে পারেন তাহলে আপনি সফল হবেন। কিন্তু আপনাকে আরেকটি জিনিস মাথায় রাখতে হবে আপনার এই অর্থ সঞ্চয় এর আনন্দটা যেন অল্প দিনে হারিয়ে না যায়।

 

 

 

আপনি যদি প্রতিনিয়ত পরস্পরের সঞ্চয়ের খোঁজখবর নিতে পারেন তাহলে আপনি আপনার লক্ষ্যে অবিচল থাকতে পারবেন। না হলে অনেক লোক আছে যারা সঞ্চয় না করার অজুহাত দাঁড় করাতে পারে।

 

 

 

মিতব্যায়ী হতে হবে

 

 

মিতব্যায়িতা সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল আপনি আপনার জীবনের যেকোনো অংশে এটি প্রয়োগ করতে পারবেন। আপনি আপনার জীবনে যত টাকায় আয় করুন না কেন এর কৌশল একই হবে।অপচয় যে করে সে হল অমিতব্যয়ী।

 

 

 

আর অমিতব্যয়ী হওয়া খুবই খারাপ। তাই মোটেও অপচয় করা যাবে না।অপচয় হল মন্দ কাজ। আবার ভালো কাজে টাকা খরচ করতে গিয়ে- ক.অতিরিক্ত খরচ করা খ.সামর্থের বাইরে খরচ করা গ.লোক দেখানোর জন্য খরচ করা ঘ.আত্মপ্রচারের জন্য খরচ করা আপনারা হয়তো অবশ্যই জানেন যে স্বয়ং আল্লাহ তা’আলা অপচয় কারীকে পছন্দ করেন না।

 

 

 

যে অপচয় করে সে হল শয়তানের ভাই।আবার অপচয় রোধ করতে গিয়ে খুব বেশি কৃপণতাও করা যাবে না।মহান আল্লাহ তা’আলা বলেন আমার প্রিয় বান্দা তারাই যারা ব্যয় করার ক্ষেত্রে কোনো সীমা লংঘন করে না এবং উভয় পন্থার মধ্যবর্তী অবস্থানে থাকে।

 

 

 

আর তাছাড়াও আপনি যদি অর্থ সঞ্চয় করা একটি প্রতিযোগিতা হিসাবে বিবেচনা করেন তাহলে বন্ধু দেরকে এর পর পর ৩০ দিন messAge দিতে থাকবেন সঞ্চয় করার জন্য।আপনার কোন বন্ধু যদি আপনার কথায় রাজি হয়ে যায় তাহলে আপনার challange টা তখন আরো বেড়ে গেল।বন্ধুরা মিলে টাকা জমানোর প্রতিযোগিতা করুন। এই ধারনাটির সাধারণত দুুটি দিক রয়েছে।

 

 

 

এটা আপনার পক্ষে যতটা অর্থ সঞ্চয় করা সম্ভব ততটা অর্থ সঞ্চয় করতে আপনাকে সাহায্য করবে।তাছাড়া আপনি আপনার জীবনে কি চান সেটা চিহ্নিত করতে সাহায্য করবে এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা পূরন করতে সাহায্যেকরবে।

 

 

 

পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ কে নিয়মিত করুন

 

 

কিভাবে অর্থ সঞ্চয় এর চ্যালেঞ্জ শুরু করতে হয় এটা যারা শিখতে আগ্রহী তাদের জন্য একটু উপায় হলো অতিরিক্ত নগদ অর্থ চিহ্নিত করা।উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে পণ্যের মূল্য কমে যাওয়ার কারণে নিয়মিত ক্রয় খরচে পরিবর্তন। তাহলে আপনি অবশ্য বুঝতে পারছেন পণ্যের মূল্য কমে যাওয়ার কারণে আপনার যে কয় টাকা বেঁচেছে আপনি শে কয় টাকা সঞ্চয় করুন।

 

 

 

কেনাকাটার তালিকা সীমাবদ্ধ করার মাধ্যমে খরচ অনেক কমিয়ে আনা যায়। আর এর সব থেকে সহজ উপায় হচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস গুলো বাজার থেকে না কিনে নিজে চাষাবাদ করা। আর অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কাঁচা পণ্য কেনা অথবা তৈরি পণ্য পরিহার করার মাধ্যমে আপনার খরচ অনেকাংশে কমে যেতে পারে। একসাথে বেশি পরিমাণে জিনিসপত্র কেনা বা কাঁচাপণ্য একসাথে কেনা অনেকটা ব্যয় বহুল।

 

 

 

আমাদের নিজেদের রুটি আমরা নিজেরাই তৈরি করতে পারি। ঠিক যেমন করে রুটি মোড়াকৃত করা হয়ে থাকে ঠিক তেমনি করে আমরাও তৈরি করতে পারি। আপনার কেনাকাটার তালিকা থেকে আপনি কিছু পন্য বাদ দিয়ে বা কিছু দিনের জন্য বাদ দিয়ে আপনি সেই টাকাটা সঞ্চয় করতে পারেন।

 

 

 

যখন দেখবেন আপনার সঞ্চয় বাড়ছে তখন হয়তো আপনার সামনে এমন কিছু জিনিস আসবে যে জিনিস না দিলে আপনি সামনে চলতে পারবেন না বা এটি আপনার জীবনের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ আপনি তখন ঐ জিনিসটা নিয়ে নিন।

 

 

 

সঞ্চয় ত্বরাণ্বিত করুন

 

 

সঞ্চিত অর্থ বাড়ানোর নিরবিচ্ছিন্ন চেষ্টা হল সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে তোলার আরেকটি খুব ভালো উপায়। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে এক সপ্তাহে ১০ টাকা সঞ্চয় করার মাধ্যমে আপনি শুরু করতে পারেন এবং এক বছরের জন্য তারপর থেকে পরবর্তী প্রত্যেক সপ্তাহে ১০ টাকা করে যোগ করবেন। সঞ্চয়কৃত অর্থ আপনি ব্যাংকে রেখে একটি সঞ্চয়ি হিসাব খুলতে পারেন।

 

 

 

  1. তারপর থেকে দেখবেন আপনার সঞ্চয় দিন দিন আরো বাড়ছে। আপনি যদি অর্থ সঞ্চয় আরও বাড়াতে চান তাহলে নির্দৃষ্ট সপ্তাহে বিভিন্ন বেড়ানোর খাতগুলো থেকে আপনার খরচ কমাতে হবে। আপনি ক্রমাগতভাবে এই চেষ্টা চালিয়ে যাবেন এবং এটি আপনার প্রাথমিক লক্ষ্য পূরণের পড়েও। পরিশেষে অর্থ সঞ্চয় এর সর্বোত্তম ও ফলাফল যখন আপনি এটা দীর্ঘদিন করতে পারবেন।সঞ্জয় কে সারা জীবনের অভ্যাসে পরিণত করতে হবে তাহলে আপনার জীবনে সফলতা অর্জন করতে পারবেন।

 

 

Related Posts

5 thoughts on “ছাএ জীবনে ব্যবসা না করে টাকা জমানোর কৌশল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *