গল্প : অফুরন্ত ভালবাসা

পর্ব: ১



-Hlw দোস্ত কেমন আছিস ?

: ভাল তুই কেমন আছিস ?

-ভাল কোথায় তুই এখন ?

: দোস্ত আমি ঢাকা থেকে বাসায় চলে আসছি, এখনও গাড়িতে আছি

– কখন গেলি বললি না যে

: সরি রে আমার খুব জরুরি কাজ ছিলো তাই চলে আসছি

– আবার কবে আসবি ঢাকায়

: আর যাবো না রে এবার থেকে এখানে পড়া লেখা করবো

– হারামি আমি তোর সাথে থাকবো বলে ঢাকায় আসলাম তোর সাথে পড়ালেখা করবো বলে ৷ আর তুই কাউকে না যানিয়ে চলে গেলি তাহলে এখন এখানে আমি একা কি করবো

:সরি রে আচ্ছা চলে যখন গেছিস তাহলে ওখানে থেকে পড়ে লেখা কর কোন হেল্ফ লাগলে বলবি

– আচ্ছা তুই হ্যঠাৎ ঢাকা ছেড়ে বাসায় চলে গেলি কেন বল তো , তোর কেস টা কি তোকেও কেন যানি খুব শান্ত মনে হচ্ছে তুই তো এত শান্ত ছিলি না ৷তোর কন্ঠ টাও বলে দিচ্ছে একটা কিছু হয়েছে

: আরে কিছু না ৷ রাখ তো তোর সাথে পরে কথা বলবো বায়

টিক টিক টিক ব্যাস ফোন কেটে গেলো



ওহ সরি বন্ধুরা আপনাগো তো আমাগো পরিচয় দেওন হয় নাইগা,,, দেখছেন মুই কত মনভুলা সব ভুইলা যাই গা, আর আপনারাও কেমন হা আমারে একটু মনে করাই দিবেন না ৷
আপনারা মনে করাই দেন নাই এইডা আপনাগো দোষ তাই আপনাগো শাস্তি হইলো গিয়া গল্পে একটা রহস্য রাইখা দিলাম যেইডা পরে বুঝবেন

এহন সবাই লুন্গি গিট্টু মাইরা এদিকে আহেন দেহি পরিচয় দেই ,, মুই হইলো গিয়া মোর বাবা মার এক মাত্র ,ওয়ানলি ওয়ান পিছ শয়তান পোলা , ,, ওহ সরি মোর এক্কান ওয়ান পিছ শয়তান্নি বোন ও আছে হিহিহিহি

মোর নাম হইলো গিয়া রমজান আলী হিমেল মোর বাসা রংপুর কিন্তু ছোটকাল থাইকা ঢাকায় মামার কাছে থাইকা পড়ালেখা করছি তাই এতদিন ঢাকাতেই এক কলজে পড়া লেখার চোদ্দগুষ্টি উদ্যার করছি ৷ কিন্তু এহন কোন এক কারনে ঢাকা থাইকা আইয়া পরছি ৷ ( কেন আইয়া পরছি হেইডা ভাইবা ভাইবা আপনারা আবার মাথার চুল তুইলা টাকলে বস হইয়েন না পরে কিন্তু সুন্দরি বউ পাইবেন না হুম ৷ সময় হইলেই টের পাইবেন)

আর এতখন যার লগে কথা বললাম হেইডা মোর জানে জেগার দোস্ত ফয়েজ ৷

মোর বাড়িতে মোর একমাত্র বিরুধি দলের নেতা আইমিন মোর আব্বাজান, হেইডা মোর সাথে রাজনিতি করার পাশাপাশি ব্যবসা করে ৷ আর আছে মোর আম্মাজান যে একাবার সরকারি দলে তো আরেকবার বিরুধি দলে যোগ দেয় আমাগো এরশাদ মামুর মত ৷
আরেক জন আছে যেইডা কোন দল ফল করে না কিন্তু বিরুধি দলের থেইকা মোরে খুব সুন্দর বাশ খাওয়াইতে পারে হেইডা হইলো মোর পাজি শয়তান্নি বোন এইডারে যতই ডিগ্রি দিমু ততই কম হইবো


ওরে আল্লাহ আপনাগো পরিচয় দিতে দিচে দেখি গাড়ি রংপুর আইসা গেছে গা ৷ মুই এখন বাসায় যাই আপনাগো লগে পরে কথা কমু



গাড়ি থাইকা নাইমা একটা রিস্কা লাইয়া বাসায় চইলা আইলাম ৷ কলিংবেল চাপার কিছুখন পরেই বোন আইয়া দরজা খুইলা দিলো ৷ বোন তো মোরে দেইখা পুরাই অবাক মনে হইতাছে ওগো বাড়িতে মুই ভুত হইয়া আইয়া পরছি

আমি: কিরে এত বড় হা কইরা আছোস কেন মুখে হাতি ডুইকা যাইবো তো




>>>>চলবে> >>>>>

Related Posts

7 thoughts on “গল্প : অফুরন্ত ভালবাসা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *