Seo করে কত টাকা আয় করা যায় | Seo এর কাজ শেখার উপায়

এসইও কি এসইও কেন গুরুত্বপূর্ণ?

এসইও কি এসইও কেন গুরুত্বপূর্ণ?

আজকের এই আর্টিকেলের মূল বিষয়বস্তু হলো এসইও কি এসইও কেন গুরুত্বপূর্ণ? এই পাঠে আমরা এসইও কি এসইও কেন গুরুত্বপূর্ণ এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট সকল বিষয়ে বেসিক থেকে এডভান্স লেভেল পর্যন্ত আলোচনা করার চেষ্টা করব। তাই এসইও কি এসইও কেন গুরুত্বপূর্ণ? এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর পাওয়ার জন্য সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য বিশেষভাবে বলা হলো,

এসইও এর পূর্ণরূপ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনকথাটি ডিজিটাল মার্কেটিং এবং অনলাইন প্লাটফর্মে খুবই পরিচিত এবং জনপ্রিয় একটি নাম। মজ এর উক্তি অনুযায়ী এসইও অর্থ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন যা, মূলত যে কোন সার্চ ইঞ্জিনে প্রথম সারিতে স্থান পাওয়া একটি পদ্ধতির নাম। তাহলে চলুন আজকে আমরা আলোচনা করব এসইও কি এসইও কেন গুরুত্বপূর্ণ?এবং নতুনরা কিভাবে এসইও শিখতে পারবে এই বিষয়ে সকল খুঁটিনাটি বিষয়ে আলোচনা করা হলো।

এসইও কি? (What is SEO)?

এসইও কি? (What is SEO)?

সইও হল যে পদ্ধতির মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটের কোন একটি নির্দিষ্ট পেইজকে কোন নির্দিষ্ট একটি কিবোর্ড এর মাধ্যমে গুগোল অথবা অন্য যে কোন সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পাতায় অবস্থান করানো। গুগোল ছাড়াও বেশকিছু সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে যেমন ইয়াহু বিং ইত্যাদি, তবে বর্তমান সময়ে গুগোল সবথেকে জনপ্রিয় একটি সার্চ ইঞ্জিন প্রায় শতকরা 90 পারসেন্ট ভিজিটর গুগোল কে ব্যবহার করে তাদের প্রশ্নের উত্তর খুঁজে ।    এক কথায় বলতে গেলে সার্চ ইঞ্জিন বা এসইও হলো অপটিমাইজেশন এর মাধ্যমে কোন একটি ওয়েবসাইট কে সার্চ রেংকিং এর প্রথম পৃষ্ঠায় আনার জন্য একটি প্রযুক্তিগত কৌশল।

 

 

সার্চ ইঞ্জিন কি?

হজ ভাষায় বলতে গেলে সার্চ ইঞ্জিন হলো কিবোর্ড এর মাধ্যমে সার্চ বক্সে নির্দিষ্ট কিছু কিউট কে টার্গেট করে সার্চ করাকে বা কোন কিছু খুঁজে বের করাকে সার্চ ইঞ্জিন বলে। যেখানে নির্দিষ্ট কোন কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করলে আমরা আমাদের সঠিক তথ্য গুলো খুঁজে পাই । এখন আপনাদের মনে একটি প্রশ্ন জাগতেই পারে যে সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে?সার্চ ইঞ্জিন কি?

পনার ওয়েবসাইটের প্রত্যেকটি পেইজ যখন গুগোল এর সাথে কানেক্টেড হয় অর্থাৎ গুগল সার্চ ইঞ্জিনের সাথে সমঝোতা বন্ধনের মাধ্যমে মিলিত হয়। সহজ ভাষায় বলতে গেলে Google search console এই টুলস এর মাধ্যমে গুগলের সাথে কানেক্ট হওয়ার পরে। কোন সাইটের কোন পেজ গুগোল এর অ্যালগোরিদমে ইন্ডেক্স হয়ে যায় তখন গুগলের রোবট ঐ পেজ গুলো ভিউ করে অর্থাৎ খুঁজে দেখে এবং ওই খুঁজে দেখার সাথে সাথে গুগলের অ্যালগরিদম অর্থাৎ রোবট এগুলো সেভ করে রাখে তাদের রেকর্ড এর মধ্যে। আপনার ওয়েবসাইট টা অথবা আপনার স্পেসিফিক পেজটা যতটা এসইও ফ্রেন্ডলি হবে ততটা গুগোল অ্যালগরিদম গুগল রোবট অথবা গুগোল রেকর্ড আপনি যে নামেই বলেন না কেন সেটা খুব সহজভাবে আপনার ওয়েবসাইট বা আপনার নির্দিষ্ট পেজ টাকে খুব ভালোভাবে শনাক্ত করতে পারবে। এবং যদি কেউ আপনার ও ওয়েবসাইট অথবা আপনার পেইজের ব্যবহারকৃত কিউওয়ার্ড দিয়ে যদি সার্চ করে তাহলে গুগল খুব দ্রুতই বুঝতে পারবে যে আপনার লেখা কনটেন্ট এবং আপনার পেজটাকে গুগোল সবার আগে উপস্থাপন করবে। যখন কোন মানুষ নির্দিষ্ট কি-বোর্ডের মাধ্যমে গুগোল বা অন্য যেকোনো সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে সার্চ করে তখন সর্বপ্রথম যেই রেজাল্ট গুলো আসে, সেগুলো আসার কারণ হল ওয়েব সাইটের কনটেন্ট এর মান অনেক সুন্দর এবং সাজানো-গোছানো সর্বোপরি এসইও ফ্রেন্ডলি এবং সম্পূর্ণ অপটিমাইজ করা তাই গুগল রোবট খুব সহজেই ধরতে পারে এবং সার্চ রেংকিং এ ফাস্ট পেজে নিয়ে আসে। তবে একটা কথা বলে রাখা ভালো যে গুগোল সবসময় ভাল মানের কনটেন্ট এবং ইনফরমেশন রয়েছে বা ইনফরমেটিভ কনটেন্ট গুলো পছন্দ করে তাই যতটা সম্ভব ইনফরমেটিভ মানুষের উপকারে আসে এবং সাজানো-গোছানো থাকে এসইও ফ্রেন্ডলি থাকে সেরকম একটি পোষ্ট বা আর্টিকেল লেখা দরকার যাতে করে ফাস্ট পেজে বা সর্বপ্রথম রেজাল্টে আশা সম্ভব।

বং আপনার ওয়েবসাইট যদি সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পাতায় আনতে হয় তাহলে অবশ্যই এর সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে হবে, প্রথমে জানতে হবে এসইও কত প্রকার ও কি ক? আমরা সাধারণ অর্থে জানি SEO 2 প্রকার।

  • ওয়ান পেজ এসইও

  • অফ পেজ এসইও

এবং সঠিক ভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে দেখা যায় এসইও 2 প্রকার তা হল :

  • অর্গানিক এসইও
  • পেইড এসইও

আরকানি এসইও আবার দুই প্রকার তা হল:

  • ওয়ান পেজ এসইও

  • অফ পেজ এসইও

অর্গানিক এসইও কাকে বলে?

র্গানিক এশিয়া হল সার্চ ইঞ্জিন এর সকল নিয়ম আপনি যদি সুন্দর ভাবে অনুসরণ করে একটি এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখেন সেটা অর্গানিক এসইও বলে।অর্গানিক এসইও কাকে বলে? অর্গানিক এসইও এর মধ্যে বেশ কিছু ধাপ রয়েছে সেই ধাপগুলো আপনি যদি মেনে এসইও করেন তাহলে আপনার আর্টিকেল সবার উপরে বা ফাস্ট পেজে আসার সম্ভাবনা থাকে। যেমন আপনি যদি সঠিক কিওয়ার্ড টাইটেল হিসেবে ব্যবহার করেন এবং সঠিক হেডিং ব্যবহার করেন হেডিং যদি H1 ট্যাগ ব্যবহার করে লিখেন। এবং কনটেন্ট এর মধ্যে যদি সাব হেডিং ব্যবহার করেন H2,H3,H4 h1 গুলো যদি সঠিকভাবে ব্যবহার করেন, এবং সঠিক স্থানে বসাতে পারেন তাহলে আপনার যেকোন আর্টিকেল সার্চ ইঞ্জিনে রেংক হবে। এবং আপনি যদি একটি রিলেটেড ফিচার ইমেজ ব্যবহার করেন অবশ্যই ফিচার ইমেজ এর অল্টা ট্যাগ, টাইটেল ডেসক্রিপশন ইত্যাদি ব্যবহার করেন। আর্টিকেল এর মধ্যে প্রয়োজন অনুযায়ী এবং সঠিক একটি ইমেইল অথবা স্ক্রিনশট ব্যবহার করতে পারেন সেটা যেন পারফেক্ট অপটিমাইজ হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে এবং আর্টিকেল এর সাথে রিলেটেড হয়। এবং আর্টিকেল এর মধ্যে যদি রিলেটেড একটি ভিডিও ব্যবহার করেন তাহলে আপনার আর্টিকেলটি গুগলের অথবা যে কোন সার্চ ইঞ্জিনের ফাস্ট পেজে লিংক করার সম্ভাবনা অনেকাংশে বৃদ্ধি পায়। তো এটাই হলো অর্গানিক এসইও এর কামাল।

পেইড এসইও কি?

পেইড এসইও হল, আমরা অনেক সময় কোন কিবোর্ড যখন সার্চ করি কোন সার্চ ইঞ্জিনে, তখন আমাদের সামনে ফাস্ট পেজে প্রথমদিকে কিছু সাজেস্টেড আর্টিকেল শো করে যার সামনে অ্যাড (Ad) লেখা থাকে। এইটা হল পেইড এসইও। এইটা ওয়েবসাইটের মালিক বা কর্তৃপক্ষ গুগলের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে অথবা টাকা দিয়ে একটি বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে। এবং বিভিন্ন প্লাটফর্মে ভিজিটর বিক্রি করা হয় যেগুলো গুগোল অথবা যে কোন সার্চ ইঞ্জিনের নিয়ম ভঙ্গ করে যে কোনো অনৈতিক মাধ্যমে ভিজিটর নিয়ে আসে।

অর্গানিক এসইও এবং পেইড এশিয়ার মধ্যে পার্থক্য?

র্গানিক এসইও ইতিমধ্যে জেনেছি যে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর মাধ্যমে যে বিষয়গুলো একটি ওয়েবসাইটে আসে সেগুলো অর্গান কেসিও। এবং পেইড এসইও, কোন বিজ্ঞাপন অথবা অন্য দ্বিতীয় তৃতীয় কোনো মাধ্যমে ভিজিটর নিয়ে আসা কে বোঝায়। এখন এদের মধ্যে পার্থক্য হল অর্গানিক ভাবে মানুষ সার্চ করে সঠিক তথ্য পাওয়ার জন্য এই আর্টিকেলটি সময় এবং টাকা দিয়ে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই আর্টিকেলটি শো করানো হয় তার মধ্যে পার্থক্য অবশ্যই আপনারা বুঝতে পারছেন।

 

ওয়ান পেজ এসইও কি?

ন পেজ এসইও হলো আপনার পয়সার সম্পূর্ণ ভাবে তৈরি করার জন্য যা যা প্রয়োজন হয় তার সবই অনপেজ এসইও এর মাধ্যমে করানো হয়। ওয়েবসাইট শুরু করে তাকে সঠিকভাবে কাস্টমাইজ করে এবং বিভিন্ন এসইও প্লাগিন ইউজ করে বিশেষ করে,( Youst SEO, Rank math) ইত্যাদি প্লাগিন ব্যবহার বিভিন্নভাবে এসইও করা হয়।

অফ পেজ এসইও কি?

হোয়াট ইজ এসইও হলো মূলত প্রচার-প্রচারণা মার্কেটিং অর্থাৎ আপনার ওয়েবসাইটকে মানুষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বা সরিয়ে দেওয়ার জন্য যে পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় সেটা মূলত অফ পেজ এসইও বলে।

 

এসইও করার দুইটি টেকনিক বা সেক্টর রয়েছেঃ

  • হোয়াইট হ্যাট এসইও

  • ব্ল্যাক হ্যাট এসইও

টেকনিক্যাল এসইও?

  • Crawl errors সনাক্ত করুন । গুগল সার্চ কন্ট্রোলের মাধ্যমে।

  • গুগোল অথবা অন্য যে কোন সার্চ ইঞ্জিন আপনার কনটেন্ট কিভাবে দেখছে সেটা নির্বাচন করুন।

  • ওয়েবসাইট মোবাইল ফ্রেন্ডলি এবং রেস্পন্সিভ হয় হিসেবে তৈরি করুন।

  • ব্রকেন লিংকগুলো যাচাই করে নিন এবং ঠিক করুন।

  • ওয়েবসাইটের স্পিড পারফরম্যান্স ফাস্ট করুন। বিভিন্ন স্প্রিট অফ কিংস প্লাগিন রয়েছে যেগুলোর মাধ্যমে স্পীদ পস্ট ইমেজ করা যায়।

  • ওয়েবসাইটে মাস্টবি এস এস সি সার্টিফিকেট ব্যবহার করুন অর্থাৎ ওয়েবসাইট সিকিউরিটি জোরদার করুন।

  • ওয়েবসাইটের পার্মালিংক পোস্ট নেম সিলেক্ট করুন।

  • ওয়েবসাইটকে গুগোল এনালাইসিস এর সাথে কানেক্ট করুন।

  • ওয়েব সাইটের সাইটম্যাপ জেনারেট করুন।

  • ওয়েব সাইটের টাইটেল ডিসক্রিপশন ব্যবহার করুন।

  • ওয়েবসাইটে 404 লিংক গুলো ঠিক করুন।

হোয়াইট হ্যাট এসইও কি?

হোয়াইট হ্যাট এসইও হলো মূলত আপনার ওয়েবসাইটের জন্য সার্চ ইঞ্জিন এর নির্দেশিত গাইডলাইন কে কাজে লাগিয়ে আপনার ওয়েবসাইটটি রেঙ্ক করানোর জন্য সেই নিয়ম অনুসরণ করে রেঙ্ক করানো কে বোঝায়। অর্থাৎ এসইও করার সকল নিয়ম অনুসরণ করা টাই মূলত হোয়াইট হ্যাট এসইও

ব্ল্যাক হ্যাট এসইওঃ

ব্ল্যাক হ্যাট এসইও কি হলো আপনি এসইও এর সকল নিয়ম কানুন ভঙ্গ করে যেভাবে রেঙ্ক বৃদ্ধি করাবেন ওটাই হল ব্ল্যাক হ্যাট এসইও। তবে বর্তমানে গুগোল আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্ট এর কারণে ব্ল্যাক হ্যাট এসইও কার্যকারিতা পাচ্ছে না। এই জনসভায় অনৈতিক নিয়ম কে বাদ দিয়ে হোয়াইট হ্যাট এসইও এই মাধ্যম অনুসরণ করে।

নতুন ওয়েবসাইটের জন্য এসইও করার কৌশল?

র্তমানের তথ্যমতে একটি ওয়েবসাইট পরিচালনা করার জন্য মূলত এসইও গুরুত্বপূর্ণ। আসলে লেখা লিখির মাধ্যমে বা পোস্ট এর মাধ্যমে এসইও করার সম্পূর্ণ গাইড লাইন দেওয়া অসম্ভব। আপনি যদি ভেবে থাকেন ওয়েবসাইটের জন্য কিভাবে এসইও করব কিভাবে একটি ওয়েবসাইট এসইও ফ্রেন্ডলি করে তৈরি করব তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।এসইও নিয়মিত বিভিন্ন আপডেট এবং পরিবর্তন নিয়ে আসে তাই আমাদের সবসময় আপডেট খবরা খবর গুলো রাখা একান্ত প্রয়োজন। তবে এসইও করার জন্য কিছু বেসিক এবং ইসটানডার নিয়ম বা কাজ রয়েছে যা হিন্দি ভিডিও দিয়ে মোটামুটি এসইওর কাজ চালিয়ে নেওয়া যায়।

এসইও করার বেসিক?

  • সর্ব প্রথমে একটি ওয়েবসাইট কে সার্চ ইঞ্জিন যেমন গুগোল ইয়াহু বিং এই সার্চ ইঞ্জিনগুলোর সাথে কানেক্টেড করে নেওয়া দরকার।

  • ওয়েবসাইট কে Google search console, Google analytics, sitemap generator এগুলোর সাথে কানেক্টেড এবং ভেরিফাই করে নিবেন।

  • আপনি যদি একজনও ওয়াডপ্রেস ইউজার কারী হয়ে থাকেন তাহলে কিছু এসইও প্লাগিন রয়েছে যেমন (yoast seo বা rank math) এগুলো ইউজ করতে পারেন।

কিওয়ার্ড রিসার্চঃকিওয়ার্ড রিসার্চ

  • ওয়েবসাইটের নিস,প্রোডাক্ট সিলেক্ট করুন এবং কীবোর্ড নির্বাচন করুন।

  • লং কিবোর্ড ব্যবহার করা এসইও এর জন্য কার্যকরী।

  • কম্পিটিটর ওয়েবসাইটের সাথে তাল মিলিয়ে কিবোর্ড নির্বাচন করা জরুরি।

  • লো কম্পিটিশন কীওয়ার্ড নির্বাচন করুন।

  • কিওয়ার্ড রিসার্চ সম্পর্কে ভালো ধারণা না থাকে অভিজ্ঞদের পরামর্শ নিতে পারেন অথবা তাদের থেকে করিয়ে নিতে পারেন।

  • আপনার যদি আর্টিকেল লেখার উপর দক্ষতা থাকে তাহলে অভিজ্ঞদের কাছ থেকে পরামর্শ নিন অথবা তাদের কাছ থেকে লিখিয়ে নিন।

অনপেজ এসইওঃ

  • পোষ্টের ইউআরএল ছোট রাখার চেষ্টা করুন।

  • অনপেজ এসইওইউ আর এল এর মধ্যে কিবোর্ড ব্যবহার করুন।

  • টাইটেলে অবশ্যই কিবোর্ড ব্যবহার করা বাঞ্ছনীয়।

  • H1,H2,H3 ব্যবহার করুন।

  • পোষ্টের মধ্যে ব্যবহৃত সকল ইমেজ অফ টিমে করে নিন। টাইটেল ডিসক্রিপশন টেগ ব্যবহার করুন।

  • ইন্টার্নাল এক্সটার্নাল লিংকিং করুন।

  • ডুফলো ব্যাকলিংক তৈরী করুন।

পনার কম্পিটিটরদের ব্যাকলিংক দিয়ে দিন এতে করে তাদের কাছে নোটিফিকেশন যাবে যে আপনি আপনার ওয়েবসাইটে তাদেরকে ব্যাক লিঙ্ক দিয়েছেন। এবং তারাও আপনাকে ব্যাকলিংক দেওয়ার সাহস বেড়ে যাবে এতে আর্টিকেল ব্যাংক করার সম্ভাবনা থাকে।

একটি এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লেখার পদ্ধতিঃ

  1. কোয়ালিটি সম্পন্ন এবং পাওয়ারফুল এসইও ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট লিখুন কারণ জানতে হবে কনটেন্ট ইস কিং (content is king)

  2. কনটেন্ট বড় করুন এবং বোধগম্য ভাষা শালীনতা বজায় রেখে কনটেন্ট লিখুন। প্যারা করে আর্টিকেল লিখুন।

  3. প্রয়োজন অনুযায়ী ভিডিও ইমেজ এবং অন্যান্য লিংক কনটেন্ট এর মধ্যে ব্যবহার করুন।একটি এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লেখার পদ্ধতি

নটেন্ট এর মধ্যে প্রয়োজনীয় স্থানে নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড ব্যবহার করুন। তবে একটা কথা মনে রাখবেন ইচ্ছা করে কোন জায়গায় কিবোর্ড বসাবেন না লেখার ধরণ এবং লেখার পরবর্তী স্টেপে যেই কিউট গুলো আসবে সেগুলো বসিয়ে দিবেন।

ব্যাকলিংক তৈরী করুনঃ

  • ব্যাকলিংক মূলত আপনার ওয়েবসাইটকে প্রচার প্রসার রোধ করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

  • যে ওয়েবসাইট ব্যাকলিংক দেওয়ার জন্য বেস্ট পোস্ট এলাও করে সেখানে গেস্ট ইউজার হিসেবে গেস্ট পোস্ট করুন এবং আপনার ওয়েবসাইটের লিংক শেয়ার করুন।

  • বিভিন্ন ফোরাম অথবা প্রশ্ন-উত্তর ওয়েবসাইটে গিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন এবং উত্তর দিয়ে সেখানে আপনার লিংক করে দিন এতে আপনার ভিজিটর এবং ব্যাকলিংক দুটোই বৃদ্ধি পাবে।

  • বিভিন্ন ওয়েবসাইটে কমেন্ট করুন এবং সেখানে আপনার ওয়েবসাইটের লিংক সেটাপ করুন।

সর্বোপরি বলা যায় যে, এসইও করার জন্য সম্পূর্ণ কোন গাইডলাইন দেওয়া একেবারেই অসম্ভব কারন গুগল প্রতিনিয়ত আপডেট হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন প্রতিনিয়ত বিভিন্ন সেটিংস্ বিভিন্ন ফিচার এড করছে। তাই এটার সঠিক এবং ধরাবাঁধা কোনো নিয়ম নেই এ জন্য সবসময় সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর আপডেট দিতে হবে। এবং এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণরূপে পড়লে এসইও এর বেসিক ধারণা গুলো পাওয়া যাবে।

 

 

Related Posts

4 thoughts on “এসইও কি এসইও কেন গুরুত্বপূর্ণ?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *